শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

চাঁদের পরিবেশ সম্পর্কে চন্দ্র অভিযানকারী দলের অভিজ্ঞতার বিবরণ

 চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ। চাঁদে যাওয়ার ইচ্ছায় মানুষ অসম্ভবকে সম্ভব করে বিভিন্ন অভিযান চালিয়েছে। অভিযাত্রীরা চাঁদের পরিবেশ সম্পর্কে বর্ণনা দিয়েছেন।


চাঁদের পরিবেশ সম্পর্কে চন্দ্র অভিযানকারী দলের অভিজ্ঞতার বিবরণ 



        ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই আমেরিকার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে অ্যাপোলো ১১ করে চাঁদের উদ্দেশ্যে রওনা দিল নীল আর্মস্ট্রং, এডউইন অলড্রিন, মাইকেল কলিন্স । নীল আর্মস্ট্রং এবং এডউইন অলড্রিন ঈগল নামক একটি অংশের সাহায্য নিয়ে ২০ জুলাই সর্বপ্রথম চাঁদের মাটি কে স্পর্শ করলেন। তাদের এই অভিযান এবং পরবর্তীতে হওয়া অন্যান্য অভিযান গুলির মাধ্যমে চাঁদের অনেক অজানা তথ্য সম্পর্কে মানুষ অবগত হয়েছে।

        অভিযান কারীদের মত অনুযায়ী----

চাঁদে বাতাস নেই। এ কারণে সেখানে নিঃশ্বাস নেওয়া যায় না। তেমনি একজনের কথাবার্তা অন্যজন শুনতে পায়না। কোথাও কোন গাছপালা নেই। অমসৃণ জমি, ছোট-বড় বিভিন্ন আকৃতির পাথর, ছোট বড় গর্ত এবং ধূসর ধুলো পূর্ণ চাঁদের ভূমি।



    চাঁদের যে কালো দাগ আমরা দেখি সেগুলি আসলে বড় বড় গর্ত। সূর্যের আলো পৌঁছাতে পারে না বলে আমরা কালো দেখি। চাঁদে বাতাস না থাকায় আকাশকে ঘন কালো দেখায়। সূর্যের আলো বিচ্ছুরণ হতে পারে না বলে চাঁদের কোন রং নেই। আলো পড়লে সাদা দেখায়। আলো না পড়লে কালো দেখায়। দিনের বেলায়ও আকাশে তারা ঝলমল করে। পৃথিবীতে চাঁদ থেকে দেখতে সাদা এবং নীল গোলকের মতো।


     চাঁদে একদিন হয় দুই সপ্তাহে এবং এক রাত হয় দুই সপ্তাহ ধরে। চাঁদের আকর্ষণ পৃথিবী থেকে কম হওয়ায় চাঁদের সমস্ত জিনিস পৃথিবীর তুলনায় 6 ভাগ হালকা হয়। এ কারণে চাঁদে অভিযাত্রীরা লাফিয়ে লাফিয়ে চলে।

 

        

1 টি মন্তব্য:

Monsoon Though (মৌসুমী ট্রাফ)//Break of Monsoon বা বৃষ্টিপাতের ছেদ//Onset Vortex//N.L.M.(Normal Limit of Monsoon)

 Monsoon Though (মৌসুমী ট্রাফ) কি?       বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে নিম্নচাপ অবস্থান করলে তাকে Though বলে। মৌসুমী বায়ু ভারতে আগমনের পূর্বে 5 ডিগ...